1. admin@dainiksangbaderkagoj.com : admin :
  2. mahadihasanchamak@gmail.com : Azizul islam : Azizul islam
শেরপুরে দুদিন ব্যাপী তারুণ্য উৎসবে পিঠা ও পণ্য প্রদর্শনীর উদ্বোধন - দৈনিক সংবাদের কাগজ
৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| বসন্তকাল| মঙ্গলবার| সকাল ৭:৩২|
বিজ্ঞাপনঃ
বেনাপোলের দীর্ঘ ৯ বছরের পুরাতন হাজী বিরিয়ানী হাউস এখন রাস্তার বিপরীতে।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হাজী বিরিয়ানী হাউস।আমাদের দ্বিতীয় শাখা এখন বর্ডরের সায়েদ আলী মার্কেটে অবস্থিত।আমরা বিরিয়ানী জগতে এক ধাপ এগিয়ে।আমাদের খাবারের আইটেম সমূহ:শাহী মোরগ পোলাও,(হাফ,ফুল)। গরুর কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) সরিষা তৈলের রান্না গরুর তেহারী (হাফ,ফুল) খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) খাসির রেঝালা (হাফ,ফুল) ডিম পোলাও(হাফ,ফুল) এবং স্পেশাল বোরহানী পাওয়া যায়।পরিচালনায়:মো:আজিজ বাবুর্চি।বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত(পুরাতন ঢাকা,সাউথ সুদান,লিবিয়া)

শেরপুরে দুদিন ব্যাপী তারুণ্য উৎসবে পিঠা ও পণ্য প্রদর্শনীর উদ্বোধন

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:
  • Update Time : সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৫,
  • 198 Time View

 

“এসো দেশ বদলায়, পৃথিবী বদলায়” এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে শেরপুর ডিসি উদ্যানে তারুণ্য উৎসব উপলক্ষে দুদিন ব্যাপী পিঠা ও পণ্য প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়েছে।

 সোমবার (১০ ফ্রেব্রুয়ারি ) দুদিনব্যাপী এ পিঠা উৎসব ও পণ্য প্রদর্শণী অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে ঘিরে ছিলো লোকে লোকারণ্য। সকালে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন শেরপুর জেলা প্রশাসক মহোদয় জনাব তরফদার মাহমুদুর রহমান সাহেব ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো: মোখতার আহমেদ, বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ বিভাগ।

 এতে বক্তব্য দেন শেরপুর জেলা প্রশাসক মহোদয় জনাব তরফদার মাহমুদুর রহমান ও জনাব মো: মোখতার হোসেন বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ।

বক্তারা বলেন, বাহারি রংয়ের পিঠা আমাদের সংস্কৃতির একটি অংশ। দেশে সামাজিক, পারিবারিক ও ধর্মীয় উৎসবে পিঠার প্রলন অতি প্রাচীন। এ ধরনের আয়োজন সবাইকে গ্রাম-বাঙলার সংস্কৃতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উৎসবে উদ্যোক্তাদের ৮টি স্টলে  রংবেরংয়ের বাহারি ডিজাইনের লবঙ্গ লতিকা, পাটিসাপটা, হৃদয় হরণ, শঙ্খ, স্পঞ্জ, গোকুল, মিষ্টিপুলি, পায়েস রোল, সেমাই, রস, নকশি, পেয়াজু, গাজরের হালুয়া, সুজি, ডিমের ঝাল পাটিসাপটা, নুডলস, চিতই, তেল, তালের, খির চমচম, খেজুর, দুধপুলি, কেক, মিষ্টি ছাড়াও আরো বিভিন্ন নামের পিঠা। 

টেবিলে রকমারি থালায় থরে থরে সাজিয়া রাখা হয়েছে এসব পিঠা। যা দেখলে  জিহ্বায় আসে পানি। উদ্যোক্তারা জানান মাত্র দশ টাকা থেকে ৫০ টাকার মধ্যে যে কেউ পিঠা কিনে এর স্বাদ নিতে পারেন।  জেলা প্রশাসক মহোদয় বলেন, গ্রাম-বাংলার সংস্কৃতি লালন করতে প্রতিবছরই এ উৎসবের আয়োজন করেন তারা।

উদ্যোক্তারা এখানে তারা পিঠার ও পণ্য প্রদর্শনী দোকান দিয়েছে। এতে উদ্যোক্তাদের পিঠা ও পণ্য প্রদর্শনী সম্পর্কে তাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য জানা হচ্ছে। পাশাপাশি তারা বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরি করতে শিখছে। সবার সহযোগিতা পেলে আগামীতেও এধরনের উৎসবের আয়োজন করবেন বলে জানান তারা।

উদ্যোক্তা জেনিয়া আক্তার জানান সে একজন শিক্ষার্থী শেরপুর সরকারী কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্রী তিনি ২০২১ সাল থেকে তার উদ্যোক্তা হওয়ার পথচলা। তিনি ভবিষ্যতে অনেক বড় একজন উদ্যোক্তা হতে চান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Calendar

Calendar is loading...
Powered by Booking Calendar
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া, নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, কপিরাইট 2022 ইং দৈনিক আলোকিত বশিশাল এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ভুল তথ্যর জন্য সেই তথ্য দাতাই দায়ী থাকবে, কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায়ী থাকবে না।
Theme Customize BY BD IT HOST