বিশ্ব মানবতার শত্রু ইসরাইল কতৃক ফিলিস্তিনের গাজায় বর্বরোচিত নজিরবিহীন সন্ত্রাসী হামলা ও ভারতে মুসলমানদের উপর আগ্রাসনের ও ইসরায়েল পণ্য বয়কট এর দাবি প্রতিবাদে সমাবেশে ও বিক্ষোভ মিছিল
করে ছাত্র জনতা ও হেফাজতে ইসলাম,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ময়মনসিংহ বিভাগের সংগঠক লুৎফর রহমান লাজু,শান্ত শিফাত,নুরনবী,জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতা মোবারক,হেফাজতে ইসলামের নেতা কর্মী সহ জন-সাধারণ অংশ গ্রহণ করেন।
জাতীয় নাগরিক কমিটির সমন্বয়ক মানোয়ার হোসেন বলেন সদ্য স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি একতরফাভাবে লঙ্ঘন করে মানবতার শত্রু ইসরাইল পবিত্র মাহে রমজানে সেহরীর সময়ে গাজায় নির্বিচারে বোমা হামলা করে একদিনে সহস্রাধিক বেসামরিক মুসলিম নারী, শিশু ও বৃদ্ধকে হত্যা করেছে। তথাপি বিশ্ব মুসলিম নেতৃবৃন্দের দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ লক্ষ করা যাচ্ছে না, এটা খুবই দুঃখজনক।
অথচ বর্তমান মুসলিম বিশ্বে উল্লেখযোগ্য শক্তিধর রাষ্ট্র ইরান, তুরস্ক, কাতার, সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং বাংলাদেশ একজোটে প্রতিবাদ করলে শুধু ভূঁইফোঁড় ইসরাইল নয়, তাদের ইন্ধনদাতা আমেরিকার মনেও কম্পন সৃষ্টি হতে বাধ্য। তাই মানবতার শত্রু ইসরাইলকে রুখে দিতে বিশ্ব মুসলিমের ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।
পবিত্র মাহে রমজানের ১৭ তারিখ বদরে অর্জিত মুসলমানদের মহা বিজয় হয়েছিল। সেদিন সামরিক শক্তিতে নয় বরং ঈমানী বলে বলীয়ান হওয়ার কারণেই বিজয় সাধিত হয়েছিল।
বদর আমাদের প্রেরণা, বদর আমাদের চেতনা, বদর আমাদের অনুভূতি। এটাকে ভুল প্রমাণ করতেই ওরা বদর দিবসকে এ ন্যাক্কারজনক হামলার জন্য বেছে নিয়েছে। মূলত ওরা বিশ্ব মোড়ল আমেরিকার ইন্ধনেই এ দুঃসাহস দেখাচ্ছে।
কিন্তু মুসলিম বিশ্ব ছাড়া আমেরিকা অচল। তাই মুসলিম ঐক্যই আমেরিকা-ইয়াহুদীদের কুমতলব রুখতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও বলেন- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুর্কী সালতানাতের পতনের পর হতে অদ্যবধি শত বছর পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধ শেষ হয়নি। ওরা ইসরাইলকে অবৈধভাবে মুসলিমদের ঘাড়ের ওপর চাপিয়ে দিয়ে অঘোষিত ক্রুসেড চালিয়ে যাচ্ছে। তাদেরকে প্রতিহত করা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব।