1. admin@dainiksangbaderkagoj.com : admin :
  2. mahadihasanchamak@gmail.com : Azizul islam : Azizul islam
চৈত্রের খরতাপে পুড়ছে মেহেরপুর, ঝরছে আমের গুটি মাহাবুব ইসলাম, মেহেরপুরঃ - দৈনিক সংবাদের কাগজ
১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| দুপুর ১:০২|
বিজ্ঞাপনঃ
বেনাপোলের দীর্ঘ ৯ বছরের পুরাতন হাজী বিরিয়ানী হাউস এখন রাস্তার বিপরীতে।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হাজী বিরিয়ানী হাউস।আমাদের দ্বিতীয় শাখা এখন বর্ডরের সায়েদ আলী মার্কেটে অবস্থিত।আমরা বিরিয়ানী জগতে এক ধাপ এগিয়ে।আমাদের খাবারের আইটেম সমূহ:শাহী মোরগ পোলাও,(হাফ,ফুল)। গরুর কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) সরিষা তৈলের রান্না গরুর তেহারী (হাফ,ফুল) খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) খাসির রেঝালা (হাফ,ফুল) ডিম পোলাও(হাফ,ফুল) এবং স্পেশাল বোরহানী পাওয়া যায়।পরিচালনায়:মো:আজিজ বাবুর্চি।বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত(পুরাতন ঢাকা,সাউথ সুদান,লিবিয়া)

চৈত্রের খরতাপে পুড়ছে মেহেরপুর, ঝরছে আমের গুটি মাহাবুব ইসলাম, মেহেরপুরঃ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, এপ্রিল ১৫, ২০২২,
  • 239 Time View

চৈত্রের খরতাপে পুড়ছে মেহেরপুর, ঝরছে আমের গুটি

মাহাবুব ইসলাম, মেহেরপুর

চৈত্রের খরতাপে পুড়ছে মেহেরপুর। বিচ্ছিন্ন ভাবে কয়েকবার ঝড়বৃষ্টি হলেও দীর্ঘদিনে আর দেখা মেলেনি বৃষ্টির। ঠিক এমন আবহাওয়ায় গাছ থেকে ঝরে পড়ছে আমের গুটি। বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বৃদ্ধি পাচ্ছেনা আমের গুটির আকারও। এমতাবস্থায় দুশ্চিন্তায় ভুগছেন মেহেরপুরের আম চাষিরা। অপেক্ষায় রয়েছেন কবে হবে বৃষ্টি আর বৃদ্ধি পাবে তাদের আমের গুটির আকার।
মেহেরপুর জেলার সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার বেশ কয়েকটি আমবাগান ঘুরে দেখা গেছে, বাগান জুড়ে মুকুল এলেও চিন্তার ভাজ রয়েছে আম চাষিদের কপালে। টানা বৃষ্টিহীনতায় ফলন নিয়ে বেশ চিন্তিত সকলেই। তীব্র খরায় সেচ দিয়েও খুব একটা ফল পাচ্ছেন না বলে জানালেন মুজিবনগর উপজেলার আনন্দ বাস ও কেদারগন্জ এলাকার কয়েকজন আম চাষি। উৎপাদন খরচ বাড়লেও ফলন বিপর্যয়ের আশংকা থেকেই যাচ্ছে। চরম উৎকন্ঠায় ভুগছেন তারা। এদিকে বৃষ্টিহীনতার পাশাপাশি তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে গরমও বেড়েছে। বৃষ্টিপাত না হলে তাপমাত্রা আরও বেড়ে যেতে পারে।

মেহেরপুর জেলায় প্রায় ২ হাজার ৩’শ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে।
আম চাষিদের অনেকেই জানান, সকল গাছে মুকুল না আসলেও কিছু আম গাছে আশানুরূপ মুকুল এসেছে এবং গুটিতে পরিণত হয়েছে। তবে বৃষ্টি না থাকার কারণে গুটি ঝরে পড়ছে। কেউ কেউ সেচ দিয়ে ঝরে যাওয়া রোধ করার চেষ্টা করছেন। তবে গুটি ঝরা অব্যাহত রয়েছে। মনে হচ্ছে এমন সেচে কোন লাভ হবেনা। এতে আম চাষিরা উদ্ধিগ্ন।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, মূলত কয়েকটি কারণে আমের গুটি ঝরে। এরমধ্যে গাছের পুষ্টির অভাব, পোকার আক্রমণ, রোগের আক্রমণ ও ধারণ ক্ষমতার বেশি আমের গুটি আসা। তবে এসময় তীব্র গরম ও খরার কারণে গুটি ঝরা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
তিনারা প্রতি ১০-১৫ দিন পরপর সেচ দেওয়ার পরামর্শ দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Calendar


Loading...
Powered by Booking Calendar






To show CAPTCHA, please deactivate cache plugin or exclude this page from caching or disable CAPTCHA at WP Booking Calendar - Settings General page in Form Options section.
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া, নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, কপিরাইট 2022 ইং দৈনিক আলোকিত বশিশাল এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ভুল তথ্যর জন্য সেই তথ্য দাতাই দায়ী থাকবে, কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায়ী থাকবে না।
Theme Customize BY BD IT HOST