1. admin@dainiksangbaderkagoj.com : admin :
  2. mahadihasanchamak@gmail.com : Azizul islam : Azizul islam
শেরপুর সীমান্তে হাতির ভয়ে কাঁচা ধান কাটছেন কৃষকেরা! - দৈনিক সংবাদের কাগজ
১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বুধবার| সকাল ১১:১৪|
বিজ্ঞাপনঃ
বেনাপোলের দীর্ঘ ৯ বছরের পুরাতন হাজী বিরিয়ানী হাউস এখন রাস্তার বিপরীতে।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হাজী বিরিয়ানী হাউস।আমাদের দ্বিতীয় শাখা এখন বর্ডরের সায়েদ আলী মার্কেটে অবস্থিত।আমরা বিরিয়ানী জগতে এক ধাপ এগিয়ে।আমাদের খাবারের আইটেম সমূহ:শাহী মোরগ পোলাও,(হাফ,ফুল)। গরুর কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) সরিষা তৈলের রান্না গরুর তেহারী (হাফ,ফুল) খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) খাসির রেঝালা (হাফ,ফুল) ডিম পোলাও(হাফ,ফুল) এবং স্পেশাল বোরহানী পাওয়া যায়।পরিচালনায়:মো:আজিজ বাবুর্চি।বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত(পুরাতন ঢাকা,সাউথ সুদান,লিবিয়া)

শেরপুর সীমান্তে হাতির ভয়ে কাঁচা ধান কাটছেন কৃষকেরা!

মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, মে ৭, ২০২৬,
  • 14 Time View

শেরপুর সীমান্তে বন্য হাতির ভয়ে কাঁচা ধান কাটছেন ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার কৃষকেরা।
হাতির আক্রমণে ফসলহানি ও জানমালের ক্ষতির আশঙ্কায় নির্ধারিত সময়ের আগেই কাঁচা ও আধাপাকা বোরো ধান কাটতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকেরা। এতে ফলন কমে যাওয়ার শঙ্কার পাশাপাশি বাড়ছে হতাশাও।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে ঝিনাইগাতীর গজনী, গান্ধীগাও, বাঁকাকুড়া এলাকায় হাতির আক্রমণে নষ্ট হয়েছে প্রায় ৫ একর জমির ধান। কোথাও ধান খেয়ে, কোথাও মাড়িয়ে ফসলের ক্ষতি করেছে হাতির দল।

কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় ৮ হাজার ৮৫৭ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে বোরো ধান। এর মধ্যে শ্রীবরদীতে ৪ হাজার ৫০১ হেক্টর, ঝিনাইগাতীতে ২ হাজার ২৪০ এবং নালিতাবাড়ীতে ২ হাজার ১১৬ হেক্টর জমি রয়েছে। অধিকাংশ জমির ধান পরিপুষ্ট হলেও পাকতে এখনও সময় বাকি।

ঝিনাইগাতী উপজেলার গান্ধীগাও গ্রামের রাজিব কোচ জানিয়েছেন, ৬০ শতক জমিতে ১৬ হাজার টাকা খরচ করে আবাদ করেছিলেন বোরো ধান। ধান পাকতে আরও ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগলেও হাতির ভয়ে তিনি দিনমজুর দিয়ে আগেই ধান কাটছেন।

তার ভাষ্য, ‘হাতির পাল এক রাতেই সব শেষ করে দিতে পারে। তাই বাধ্য হয়েই কাঁচা ধান কাটছি।’

রাজিব কোচের মতো এই একই শঙ্কা ও আতঙ্কে ভুগছেন শেরপুরের তিন উপজেলার শত শত কৃষক।
একই গ্রামের কৃষক লাল কৃষ্ণ কোচ বলেছেন, ‘দুই রাতে এক একর জমির ধান হাতি খেয়ে ও মাড়িয়ে নষ্ট করেছে। এই ফসলেই সংসার চলত। এখন ক্ষতিপূরণের জন্য বন বিভাগের কাছে আবেদন করেছেন।’

সরেজমিনে দেখা গেছে, বালিজুড়ি, খাড়ামুড়া, তাওয়াকুচা, গজনী, রাংটিয়া, সমশ্চূড়া, মধুটিলা ও বারমারি গ্রামজুড়ে চলছে আগাম ধান কাটার কাজ। কোথাও কাঁচা, কোথাও আধাপাকা, আবার কোথাও পরিপুষ্ট ধান কেটে নিচ্ছেন কৃষকেরা।

গজনী গ্রামের কৃষক অজন্তা সাংমা জানিয়েন, পাহাড়ে হাতির অবস্থান থাকায় দেরি করলে নষ্ট হয়ে যাবে ফসল। তাই ঝুঁকি এড়াতে আগেই ধান কাটছেন।

সমশ্চূড়া গ্রামের কৃষক মো. হানিফ মিয়া বলেছেন, ধান পাকতে আরও ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগত। কিন্তু ৪০ থেকে ৪৫টি হাতির দল মাঠে নামলে কিছুই করার থাকে না।

বন বিভাগের গজনী বিট কর্মকর্তা সালেহীন নেওয়াজ জানান, ৪০ থেকে ৪৫টি হাতির একটি দলে রয়েছে প্রায় ১৫টি শাবক। দলটি গত এক সপ্তাহ ধরে ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বর্তমানে অবস্থান করছে নালিতাবাড়ীর সমশ্চূড়া ও বাতকুচি জঙ্গলে।

সমশ্চূড়া বিট কর্মকর্তা মো. কাওসার জানিয়েছেন, হাতির দল যাতে লোকালয়ে প্রবেশ করতে না পারে। সে জন্য এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম ও স্থানীয়রা পাহারায় রয়েছে।

গজনী বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তোহিদুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের। এরইমধ্যে আবেদন করেছেন কয়েকজন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Calendar


Loading...
Powered by Booking Calendar






To show CAPTCHA, please deactivate cache plugin or exclude this page from caching or disable CAPTCHA at WP Booking Calendar - Settings General page in Form Options section.
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া, নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, কপিরাইট 2022 ইং দৈনিক আলোকিত বশিশাল এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ভুল তথ্যর জন্য সেই তথ্য দাতাই দায়ী থাকবে, কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায়ী থাকবে না।
Theme Customize BY BD IT HOST