গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার বালিয়াচন্ডী গ্রামের মেধাবী ডাক্তার মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ ৩০ শে জুন ১৯৮৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
পিতা:মরহুম সাইদুর রহমান মাতা:যায়েদা খাতুন, আব্দুল ওয়াদুদ জন্মের ছয় মাস বয়সেই বাবাকে হারান। তার বাবা ছিলেন বালিয়াচন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
তিনি উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত কোন গাইডলাইন্স ছাড়াই নিজে নিজে পড়াশোনা করে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পান। তিনি ছোট থেকেই অনেক মেধাবী ছাত্র ছিলেন।
এমনকি উচ্চ মাধ্যমিক বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করলেও কোন একটি বিষয়েও প্রাইভেট পড়ার সুযোগ হয়নি। যে কারণে জিপিএ-৫ না পেলেও পরবর্তীতে ভর্তি পরীক্ষায় ভালো নাম্বার পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।
তিনি টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যান এবং এমবিবিএস পাশ করার পর প্রথমে উচ্চতর ডিগ্রির কোর্সে চান্স পান। এবং পড়াশোনা অধ্যায়ণরত থাকাকালীন সময় নিজ গ্রামে তার বাবার নামে একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর অগণিত রোগীদের স্বল্প মূল্যে স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে আসেন দীর্ঘ ৮ বছর ও নিজ গ্রামে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা চলমান থাকে। নানা প্রতিকূলতায় গত এক বছর ধরে এটি বন্ধ রয়েছেন।
তিনি ২০১৯ সালে ৩৯ তম বিসিএস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এবং উপজেলায় দুই বছর সেবা দেওয়ার পর উচ্চতর ডিগ্রি কোর্সের বাকি অংশ সম্পুর্ন করার জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে যান। সেখান থেকে পরবর্তীতে এমডি (কার্ডিওলজি) ডিগ্রী অর্জন করেন।
বর্তমানে ডাঃ মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি (কার্ডিওলজি).
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা।
মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত আছেন।
তিনি ২০১২ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন । তার সহধর্মিণী ডাক্তার ইসরাত জাহান ইপা চক্ষু বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশ লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালে কর্মরত আছেন। তাদের দুই সন্তান রয়েছেন।
ডা: আব্দুল ওয়াদুদ এর বড় বোন সরকারি প্রাইমারি সহকারী শিক্ষিকা।
জানা যায়, ডাঃ আব্দুল ওয়াদুদ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এর সাথে কাজ করেন এবং ৭ অক্টোবর ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন।