শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের পশ্চিম বিলভরট গ্রামের বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী মজিবর রহমান দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। একসময় দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালালেও বর্তমানে অসুস্থতার কারণে তিনি কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। ফলে চিকিৎসা ও সংসারের খরচ চালাতে চরম সংকটে পড়েছে পরিবারটি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মজিবর রহমান ফুসফুসের ইনফেকশন ও হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। এছাড়া তার এক হাত ও এক পা অবশ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে পরিবারটির আর্থিক অবস্থাও ভেঙে পড়েছে।
বিজ্ঞাপন
arogga 2
মজিবর রহমান বলেন, একসময় দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতাম। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে অসুস্থ থাকায় এখন আর কোনো কাজ করতে পারি না। আমার ফুসফুসে ইনফেকশন, হার্টের সমস্যা রয়েছে। এক হাত ও এক পা অবশ হয়ে গেছে। চিকিৎসা করানো এবং সংসার চালানো এখন আমাদের জন্য খুব কষ্টের হয়ে গেছে।
মজিবর রহমানের স্ত্রী মনুরা বেগম নিজেও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। স্বামীর অসুস্থতা ও নিজের শারীরিক সমস্যার মধ্যেও বর্তমানে তিনিই সংসারের হাল ধরার চেষ্টা করছেন।
মনুরা বেগম বলেন, আমার স্বামী আগে দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতেন। এখন অসুস্থ হওয়ার কারণে তিনি কোনো কাজ করতে পারেন না। আমিও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। তারপরও সংসার চালানো ও স্বামীর চিকিৎসার জন্য যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করছি। কিন্তু এখন চিকিৎসার খরচ এবং সংসার চালানো আমাদের জন্য খুব কঠিন হয়ে গেছে।
আমি অন্যের বাসার কাজ করে ১০০- ২০০ টাকা পায় যা দিয়ে কোনরকম দিন চলছে।
প্রতিবেশী রোকেয়া বেগম বলেন, মজিবর রহমানের পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে কষ্টের মধ্যে রয়েছে। আগে তিনি কাজ করে সংসার চালাতেন। অসুস্থ হওয়ার পর পরিবারটি আরও অসহায় হয়ে পড়েছে। তার স্ত্রী নিজেও অসুস্থ হয়েও সংসার সামলানোর চেষ্টা করছেন। পরিবারটির পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দা কুলসুম বলেন, অসুস্থতার কারণে মজিবর রহমান এখন আর কাজ করতে পারেন না। চিকিৎসার অভাবে তার শারীরিক অবস্থাও ভালো নয়। তার স্ত্রী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েও সংসারের হাল ধরেছেন। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পরিবারটির সহযোগিতা প্রয়োজন।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা ফিরুজা বলেন, মজিবর রহমান একসময় পরিশ্রম করে দিনমজুরের কাজ করতেন। এখন অসুস্থতার কারণে তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন। সংসারে উপার্জনের সুযোগ না থাকায় পরিবারটি কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষের উচিত পরিবারটির পাশে দাঁড়ানো।
এ বিষয়ে শ্রীবরদী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন যেসব সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়া অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য সরকার বিভিন্ন ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিচালনা করছে। নিয়ম অনুযায়ী যোগ্য হলে মজিবর রহমানের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
৭৫ বছর বয়সী মজিবর রহমান দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন।
শ্রীবরদী প্রতিনিধি শেরপুর:
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের পশ্চিম বিলভরট গ্রামের বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী মজিবর রহমান দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। একসময় দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালালেও বর্তমানে অসুস্থতার কারণে তিনি কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। ফলে চিকিৎসা ও সংসারের খরচ চালাতে চরম সংকটে পড়েছে পরিবারটি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মজিবর রহমান ফুসফুসের ইনফেকশন ও হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। এছাড়া তার এক হাত ও এক পা অবশ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে পরিবারটির আর্থিক অবস্থাও ভেঙে পড়েছে।
বিজ্ঞাপন
arogga 2
মজিবর রহমান বলেন, একসময় দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতাম। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে অসুস্থ থাকায় এখন আর কোনো কাজ করতে পারি না। আমার ফুসফুসে ইনফেকশন, হার্টের সমস্যা রয়েছে। এক হাত ও এক পা অবশ হয়ে গেছে। চিকিৎসা করানো এবং সংসার চালানো এখন আমাদের জন্য খুব কষ্টের হয়ে গেছে।
মজিবর রহমানের স্ত্রী মনুরা বেগম নিজেও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। স্বামীর অসুস্থতা ও নিজের শারীরিক সমস্যার মধ্যেও বর্তমানে তিনিই সংসারের হাল ধরার চেষ্টা করছেন।
মনুরা বেগম বলেন, আমার স্বামী আগে দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতেন। এখন অসুস্থ হওয়ার কারণে তিনি কোনো কাজ করতে পারেন না। আমিও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। তারপরও সংসার চালানো ও স্বামীর চিকিৎসার জন্য যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করছি। কিন্তু এখন চিকিৎসার খরচ এবং সংসার চালানো আমাদের জন্য খুব কঠিন হয়ে গেছে।
আমি অন্যের বাসার কাজ করে ১০০- ২০০ টাকা পায় যা দিয়ে কোনরকম দিন চলছে।
প্রতিবেশী রোকেয়া বেগম বলেন, মজিবর রহমানের পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে কষ্টের মধ্যে রয়েছে। আগে তিনি কাজ করে সংসার চালাতেন। অসুস্থ হওয়ার পর পরিবারটি আরও অসহায় হয়ে পড়েছে। তার স্ত্রী নিজেও অসুস্থ হয়েও সংসার সামলানোর চেষ্টা করছেন। পরিবারটির পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দা কুলসুম বলেন, অসুস্থতার কারণে মজিবর রহমান এখন আর কাজ করতে পারেন না। চিকিৎসার অভাবে তার শারীরিক অবস্থাও ভালো নয়। তার স্ত্রী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েও সংসারের হাল ধরেছেন। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পরিবারটির সহযোগিতা প্রয়োজন।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা ফিরুজা বলেন, মজিবর রহমান একসময় পরিশ্রম করে দিনমজুরের কাজ করতেন। এখন অসুস্থতার কারণে তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন। সংসারে উপার্জনের সুযোগ না থাকায় পরিবারটি কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষের উচিত পরিবারটির পাশে দাঁড়ানো।
এ বিষয়ে শ্রীবরদী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন যেসব সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়া অসহায় ও দুস্থ