1. admin@dainiksangbaderkagoj.com : admin :
  2. mahadihasanchamak@gmail.com : Azizul islam : Azizul islam
টাকার অভাবে ওষুধ খাইবার পারিনা" - দৈনিক সংবাদের কাগজ
১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বৃহস্পতিবার| রাত ১:৩৩|
বিজ্ঞাপনঃ
বেনাপোলের দীর্ঘ ৯ বছরের পুরাতন হাজী বিরিয়ানী হাউস এখন রাস্তার বিপরীতে।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হাজী বিরিয়ানী হাউস।আমাদের দ্বিতীয় শাখা এখন বর্ডরের সায়েদ আলী মার্কেটে অবস্থিত।আমরা বিরিয়ানী জগতে এক ধাপ এগিয়ে।আমাদের খাবারের আইটেম সমূহ:শাহী মোরগ পোলাও,(হাফ,ফুল)। গরুর কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) সরিষা তৈলের রান্না গরুর তেহারী (হাফ,ফুল) খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) খাসির রেঝালা (হাফ,ফুল) ডিম পোলাও(হাফ,ফুল) এবং স্পেশাল বোরহানী পাওয়া যায়।পরিচালনায়:মো:আজিজ বাবুর্চি।বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত(পুরাতন ঢাকা,সাউথ সুদান,লিবিয়া)

টাকার অভাবে ওষুধ খাইবার পারিনা”

আমানুল্লাহ আসিফ, নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি:
  • Update Time : শনিবার, ডিসেম্বর ২০, ২০২৫,
  • 176 Time View

আড়াই বছর ধরে কিডনি সমস্যায় ভুগছেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ফকিরপাড়া এলাকার নূর জাহান বেগম (২৭)। টাকার অভাবে নিয়মিত চিকিৎসা চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তার। ডাক্তার দেখানো তো দূরের কথা দৈনন্দিন অপরিহার্য ওষুধ কেনার মতো সামর্থ্যও নেই এই অসহায়ের।

সূত্র জানায়, উপজেলার ফকিরপাড়া এলাকার আব্দুল মুন্নাফের মেয়ে নূর জাহান বেগমের বিয়ে হয়েছিল পৌরসভাধীন নামা ছিটপাড়া মহল্লার রিকশাচালক রফিকুল ইসলামের সাথে। বেশ কিছুদিন তাদের সংসার ভালোই চলছিল। হঠাৎ করে কিডনি রোগে আক্রান্ত হন নূর জাহান। সুখের সংসার হয়ে যায় এলেমেলো। আড়াই বছর ধরে এই রোগের চিকিৎসা করতে করতে নিঃস্ব হয়ে গেছেন স্বামী রফিকুল ইসলাম।

চার বছরের একটি বাচ্চাসহ ৪ জনের সংসার রফিকুলের। পেটের ভাতের খরচ আয় করতেই যে হিমশিম খাচ্ছে, সে কি করে স্ত্রীর ব্যয়বহুল চিকিৎসা করবে? তার স্ত্রীর কিছু হয়ে গেলে ছোট্ট বাচ্চাটার কি হবে? হাল ছাড়েননি তিনি, শ্বশুরের সহযোগিতায় চলমান রেখেছিলেন স্ত্রীর চিকিৎসা। বর্তমানে স্বামীর বাড়ির পাশাপাশি বাবার বাড়িতেও থাকে নূর জাহান।

প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী মাসে ৬-৭ হাজার টাকার ওষুধ লাগে তার। তবে এবার বাবার পক্ষ থেকেও চিকিৎসা চালানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে নূর জাহানের ভবিষ্যত!

প্রতি মাসে কোন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা বা ব্যক্তির কাছ থেকে সামান্য আর্থিক সহায়তা পেলে বাঁচার আশা করতে পারতেন তিনি।

নূর জাহান বেগম কাঁদতে কাঁদতে এই প্রতিবেদককে বলেন, “টাকার অভাবে ওষুধ খাইবার পারিনা। ডাক্তার বলছে নিয়মিত চেকাপ না করলে অথবা ওষুধ মিস দিলে বড় কোন বিপদ ঘটবার পারে। ছোট্ট বাচ্চাসহ সংসারের খানা খরচ রোজগার করাই কঠিন। প্রতি মাসে মেলা টেহার ওষুধ লাগে ডাক্তারের ভিজিট তো আছেই‌, কই পামু এতে টেহা?”
সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Calendar

Calendar is loading...
Powered by Booking Calendar
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া, নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, কপিরাইট 2022 ইং দৈনিক আলোকিত বশিশাল এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ভুল তথ্যর জন্য সেই তথ্য দাতাই দায়ী থাকবে, কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায়ী থাকবে না।
Theme Customize BY BD IT HOST