1. admin@dainiksangbaderkagoj.com : admin :
  2. mahadihasanchamak@gmail.com : Azizul islam : Azizul islam
দ্রুত টেকসই বাঁধ না নির্মাণ করলে ভোগাই নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বেনীরগোপ - দৈনিক সংবাদের কাগজ
১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| মঙ্গলবার| রাত ৩:১৮|
বিজ্ঞাপনঃ
বেনাপোলের দীর্ঘ ৯ বছরের পুরাতন হাজী বিরিয়ানী হাউস এখন রাস্তার বিপরীতে।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হাজী বিরিয়ানী হাউস।আমাদের দ্বিতীয় শাখা এখন বর্ডরের সায়েদ আলী মার্কেটে অবস্থিত।আমরা বিরিয়ানী জগতে এক ধাপ এগিয়ে।আমাদের খাবারের আইটেম সমূহ:শাহী মোরগ পোলাও,(হাফ,ফুল)। গরুর কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) সরিষা তৈলের রান্না গরুর তেহারী (হাফ,ফুল) খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) খাসির রেঝালা (হাফ,ফুল) ডিম পোলাও(হাফ,ফুল) এবং স্পেশাল বোরহানী পাওয়া যায়।পরিচালনায়:মো:আজিজ বাবুর্চি।বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত(পুরাতন ঢাকা,সাউথ সুদান,লিবিয়া)

দ্রুত টেকসই বাঁধ না নির্মাণ করলে ভোগাই নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বেনীরগোপ

নালিতাবাড়ী (শেরপুর):
  • Update Time : রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬,
  • 27 Time View

ভারতের নকরেক গ্রীশিকর পিক পাহাড় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি খরস্রোতা ভোগাই নদীর অব্যাহত ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শেরপুরের নকলা উপজেলার বেনীরগোপ গ্রামের মানুষ। অবৈধ বালু উত্তোলন আর বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলে নদীতে স্রোত বেড়ে গেলে তীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দেয়। এতে করে প্রতিবছরই ঘরবাড়ি, আবাদি জমি ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।

ইতিমধ্যে এই এলাকার পারিবারিক কবরস্থান, ওয়াক্তিয়া মসজিদ, দোকান বসতবাড়িসহ কয়েক একর ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ভিটেমাটি হারা হয়ে গেছে অনেক মানুষ। গত কয়েক বছরের চেয়ে গেল বছর দেদারসে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করায় ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে জ্যামিতিক হারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও নদীতীর রক্ষা বা স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণে দায়িত্বশীল কোনো দপ্তর কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। গত কয়েক বছরে নদীর পূর্ব তীরের অন্তত ৫০০ মিটার এলাকা ভেঙে নদীতে বিলীন হয়েছে।
ভুক্তভোগী আব্দুল ওয়াদুদ ও হাবিবুর রহমানসহ এলাকাবাসী জানান, তাদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি একে একে নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। ভাঙ্গন রোধে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জোর দাবি স্থানীয়দের।

এদিকে, ভাঙনকবলিত এলাকাজুড়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আসন্ন বর্ষায় আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।

চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সাড়ে পাঁচ টন জিআর চাল বরাদ্দ পেয়ে স্থানীয়ভাবে কিছু অংশে প্যালাসাইডিং ও জিওটেক্স বালুর বস্তা ফেলা হলেও কাজ সম্পূর্ণ হয়নি।

নকলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, তাদের দপ্তরের মাধ্যমে স্থায়ী নদীরক্ষা বাঁধ নির্মাণ সম্ভব তাই সীমিত বরাদ্দ দিয়ে কিছু অংশে অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরে আলম তালুকদার ভুট্টো বলেন, “আমার ইউনিয়নের এই গ্রামটি ভোগাই নদীর ভাঙ্গনের ফলে বিলীন হতে বসেছে। আমি বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।”

নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘বেনীরগোপ ও পিছলাকুড়ি এলাকার ভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভাতেও বিষয়টি একাধিকবার উপস্থাপন করা হয়েছে। ভাঙন রোধে দ্রুত একটি টেকসই প্রকল্প গ্রহণ জরুরি বলে তিনি মনে করেন।’

উল্লেখ্য যে, নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই নদীর ভাঙনকবলিত এলাকাসমূহে স্থায়ী টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জোর দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Calendar


Loading...
Powered by Booking Calendar






To show CAPTCHA, please deactivate cache plugin or exclude this page from caching or disable CAPTCHA at WP Booking Calendar - Settings General page in Form Options section.
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া, নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, কপিরাইট 2022 ইং দৈনিক আলোকিত বশিশাল এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ভুল তথ্যর জন্য সেই তথ্য দাতাই দায়ী থাকবে, কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায়ী থাকবে না।
Theme Customize BY BD IT HOST