1. admin@dainiksangbaderkagoj.com : admin :
  2. mahadihasanchamak@gmail.com : Azizul islam : Azizul islam
নালিতাবাড়ীতে ভুয়া প্রতিবেদন দাখিলের কারিগর উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা - দৈনিক সংবাদের কাগজ
১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বুধবার| দুপুর ২:২৫|
বিজ্ঞাপনঃ
বেনাপোলের দীর্ঘ ৯ বছরের পুরাতন হাজী বিরিয়ানী হাউস এখন রাস্তার বিপরীতে।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হাজী বিরিয়ানী হাউস।আমাদের দ্বিতীয় শাখা এখন বর্ডরের সায়েদ আলী মার্কেটে অবস্থিত।আমরা বিরিয়ানী জগতে এক ধাপ এগিয়ে।আমাদের খাবারের আইটেম সমূহ:শাহী মোরগ পোলাও,(হাফ,ফুল)। গরুর কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) সরিষা তৈলের রান্না গরুর তেহারী (হাফ,ফুল) খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) খাসির রেঝালা (হাফ,ফুল) ডিম পোলাও(হাফ,ফুল) এবং স্পেশাল বোরহানী পাওয়া যায়।পরিচালনায়:মো:আজিজ বাবুর্চি।বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত(পুরাতন ঢাকা,সাউথ সুদান,লিবিয়া)

নালিতাবাড়ীতে ভুয়া প্রতিবেদন দাখিলের কারিগর উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি :
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২৬,
  • 19 Time View

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ঘুষ পেলেই ভূয়া প্রতিবেদন দাখিলসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সেলিনা পারভীন নামে এক উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। উপজেলার নয়াবিল ও রামচন্দ্রকুড়া মন্ডলিয়াপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত এই ভূমি কর্মকর্তার কাছে কাজ করতে গেলেই গুনতে হয় ঘুষের টাকা।

সাম্প্রতিক নাম খারিজ বাতিলের আবেদনে তলবি তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করতে গিয়ে এই কর্মকর্তার পক্ষপাতমূলক ভুয়া প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ আলোচনায় এসেছে।

জানা গেছে, উপজেলার নাকুগাঁও মৌজায় নাকুগাঁও স্থলবন্দর এলাকায় ৫১৬ নং দাগে ডেপুটি কমিশনারের নামে রেকর্ড ও বাড়ি শ্রেণিভুক্ত ৩ একর ১৩ শতক জমি রয়েছে। জমিটিতে আগে স্থানীয় ভূমিহীনদের বসতবাড়ি থাকলেও প্রায় ২৫ বছর ধরে বিভিন্ন ব্যক্তির ভোগদখলে স্থলবন্দরের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ডিপো হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এরমধ্যে ভূমিহীন হাবেজ উদ্দিনের দখলে থাকা ২০ শতক জমিতে আর্থিক চুক্তিতে তৌহিদুল আলমের মালিকানাধীন ‘নিলয় এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি আমদানী-রফতানীকারক প্রতিষ্ঠান সেমিপাকা ও টিনসেড অফিস করে কয়লা এবং পাথর আমদানীর ডিপো হিসেবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

সম্প্রতি একই জমি দখলে নিতে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা জামাল উদ্দিন ১৯৯০ সালে দেখানো একটি ভুয়া কবুলিয়তনামা বন্দোবস্ত দলিল উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে ওই জমি দখলে নিতে স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন উপ-সহকারী কর্মকর্তা সেলিনা পারভিনের দ্বারস্থ হলে তিনি পতাকা টানিয়ে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ভোগ-দখলদারদের বাধার মুখে এ চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে জামাল উদ্দিনের ওই কবুলিয়তনামা বন্দোবস্ত সঠিক কি না যাচাই করতে গেলে বন্দোবস্ত দলিলটির কোন অস্তিত খোঁজে পাননি শেরপুর মহাফেজখানার তল্লাসীকারক রেজুয়ান হোসেন। এমতাবস্থায় জামাল উদ্দিনের নামে বন্দোবস্তের পর হওয়া নামখারিজ বাতিলের আবেদন করেন ভোগ-দখলকারী হাবেজ উদ্দিন। আবেদনের প্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুর রহমান জমির বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষিতে তদন্ত প্রতিবেদন তলব করেন ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সেলিনা পারভিনের কাছে। সেলিনা পারভীন জামাল উদ্দিনের সাথে যোগসাজশ করে উল্লেখিত ভূমিটি ডেপুটি কমিশনারের নামে রেকর্ডভুক্ত উল্লেখ করলেও তা বাদী-বিবাদী কারও দখলে নেই বলে উল্লেখ করেন। শুধু তাই নয়, আগে ওই জমিটি জামাল উদ্দিনের দখলে ছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন তিনি।

দখলদার হাবেজ উদ্দিন, নিলয় এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপকসহ আশপাশের ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা জানান, উল্লেখিত জমিটি স্বাধীনতার পর থেকে হাবেজ উদ্দিনের ভোগ-দখলে ছিল। নাকুগাঁও স্থলবন্দর ঘোষণার পর তিনি বাড়ি সরিয়ে নিয়ে এখানে ডিপো হিসেবে নিলয় এন্টারপ্রাইজের কাছে চুক্তিভিত্তিক দিয়ে ওই টাকায় সংসারের খরচ যোগান। বর্তমানে জামাল উদ্দিনকে ওই জমি বন্দোবস্ত পাইয়ে দিতে মোটা অংকের অনৈতিক লেনদেন করে সত্য আড়াল করে ভুয়া প্রতিবেদন দাখিল করেছেন ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভীন।

এ বিষয়ে নাকুগাঁও স্থলবন্দর আমদানী-রফতানীকারক সমিতির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল জানান, খাস ওই জমিটি হাবেজ উদ্দিনের ভোগদখলে ছিল। যা তিনি নিলয় এন্টারপাইজের কাছে ডিপো হিসেবে ব্যবহারের জন্য চুক্তিভিত্তিক প্রদান করেছেন। এ জমি কখনোই জামাল উদ্দিনের দখলে ছিল না।
এ বিষয়ে জামাল উদ্দিন তার নামে বন্দোবস্ত সঠিক দাবী করে জানান, ওই জমিটি নিলয় এন্টারপ্রাইজের দখলে রয়েছে। আমার দখলে নেই। সরকারীভাবে জমি পেলে যাব, নইলে যাব না।

ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সেলিনা পারভিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ওই জমি বাদী-বিবাদী কারও দখলে নেই। এ মতামতের চ্যালেঞ্জ করলে তিনি বোল পাল্টে বলেন, সেখানে গিয়ে দেখে বলতে হবে। একপর্যায়ে মতামত দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ নিয়ে মিসকেস করার পর এখনো শুনানী হয়নি। শুনানীর সময় যাচাই-বাছাই করা হবে।

এদিকে চলতি বছরের শুরুতে নিজ কার্যালয়ের চেয়ারে বসে ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিনা পারভিনের আর্থিক লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। তবে ওই অর্থ ঘুষ ছিল না বলে দাবী করেন সেলিনা পারভীন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Calendar

Calendar is loading...
Powered by Booking Calendar
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া, নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, কপিরাইট 2022 ইং দৈনিক আলোকিত বশিশাল এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ভুল তথ্যর জন্য সেই তথ্য দাতাই দায়ী থাকবে, কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায়ী থাকবে না।
Theme Customize BY BD IT HOST