1. admin@dainiksangbaderkagoj.com : admin :
  2. mahadihasanchamak@gmail.com : Azizul islam : Azizul islam
শেরপুরের ঐতিহাসিক ‘মাই সাহেবা’ মসজিদে প্রতিদিন ৬ শ’ মানুষকে ইফতার করনো হচ্ছে! - দৈনিক সংবাদের কাগজ
১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| রাত ২:৩৫|
বিজ্ঞাপনঃ
বেনাপোলের দীর্ঘ ৯ বছরের পুরাতন হাজী বিরিয়ানী হাউস এখন রাস্তার বিপরীতে।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হাজী বিরিয়ানী হাউস।আমাদের দ্বিতীয় শাখা এখন বর্ডরের সায়েদ আলী মার্কেটে অবস্থিত।আমরা বিরিয়ানী জগতে এক ধাপ এগিয়ে।আমাদের খাবারের আইটেম সমূহ:শাহী মোরগ পোলাও,(হাফ,ফুল)। গরুর কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) সরিষা তৈলের রান্না গরুর তেহারী (হাফ,ফুল) খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) খাসির রেঝালা (হাফ,ফুল) ডিম পোলাও(হাফ,ফুল) এবং স্পেশাল বোরহানী পাওয়া যায়।পরিচালনায়:মো:আজিজ বাবুর্চি।বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত(পুরাতন ঢাকা,সাউথ সুদান,লিবিয়া)

শেরপুরের ঐতিহাসিক ‘মাই সাহেবা’ মসজিদে প্রতিদিন ৬ শ’ মানুষকে ইফতার করনো হচ্ছে!

মিজানুর রহমান, শেরপুর প্রতিনিধি:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৭, ২০২৫,
  • 137 Time View

শেরপুরের ঐতিহাসিক ও প্রাচীনতম মসজিদ মাই সাহেবা জামে মসজিদ কমিটি প্রতিদিন গণইফতারে প্রায় ৬ শতাধিক মানুষকে ইফতার করানো হচ্ছে।

রমজানের শুরু থেকেই গণইফতারে স্থানীয় এলাকাবাসী ছাড়া ও জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হাট-বাজারে আসা বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করছে।
জানা গেছে, প্রায় আড়াইশত বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী মাই সাহেবা মসজিদটি ভেঙে আধুনিক স্থাপত্যকলায় নির্মাণ করা হয়।

প্রাচীনকালের ওই মসজিদটিতে মাত্র ২১ জন মুসুল্লির নামাজ পড়া যেতো। মসজিদের দান বাক্সে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা জমা পড়ে। শেরপুর জেলায় এই মসজিদেই সর্বোচ্চ আয় হয়। ফলে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে ইসলামী শৈল্পিক ও আধুনিক স্থাপত্যকলায় মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। মসজিদটি বর্তমানে দুই তলার কাজ সম্পন্ন এবং তৃতীয় তলার কাজ চলমান রয়েছে।

বর্তমানে প্রায় ৬ হাজার মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হলে কমপক্ষে ১০ হাজার মুসল্লি এক সাথে নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে মসজিদ কমিটি সূত্রে জানা গেছে। চলতি বছর মসজিদে রমজানের শুরু থেকেই মসজিদ কমিটির উদ্যোগে প্রতিদিন ইফতারের আয়োজন করা হচ্ছে।

ইফতারে প্রতিদিন খিচুড়ি, বুট মুড়ি, পিয়াজু, খেজুর ও পানির ব্যবস্থা করা হয়। ইফতারের ঠিক পাঁচ থেকে দশ মিনিট আগে শহরের বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ লাইন ধরে স্ব-উদ্যোগে পানির বোতল সংগ্রহ করে মসজিদের নিচ তলায় ইফতার সাজিয়ে রাখা ইফতারের প্লেট নিয়ে লাইন ধরে নিয়ে বসে ইফতার করছেন। মাই সাহেবা জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জানান, শহরে আসা বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এবং এলাকার মানুষের সুবিধার্থে রমজানের শুরু থেকেই এই গণইফতারের আয়োজন করা হচ্ছে। তবে ইফতারে মসজিদ কমিটির তহবিল থেকে কোন টাকা ব্যয় হচ্ছে না।

কমিটির সদস্য এবং বৃত্তশালী বিভিন্ন লোকজন ইফতার তহবিলে অর্থ দিয়েই নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় রান্না করা হয় বলে জানা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Calendar


Loading...
Powered by Booking Calendar






To show CAPTCHA, please deactivate cache plugin or exclude this page from caching or disable CAPTCHA at WP Booking Calendar - Settings General page in Form Options section.
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া, নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, কপিরাইট 2022 ইং দৈনিক আলোকিত বশিশাল এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ভুল তথ্যর জন্য সেই তথ্য দাতাই দায়ী থাকবে, কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায়ী থাকবে না।
Theme Customize BY BD IT HOST