গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের কান্দুলী গ্রামের রাশেদুল ইসলাম রুবেল ৯ নভেম্বর ১৯৯৬ সালে অজপাড়া গাঁয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
পিতা: মো: শাহজামাল মাতা: মোছা: জুলেখা বেগম এর তিন সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়। আমার আরও দুই ছোট বোন রয়েছেন সাকী রেজুয়ানা সুমি শেরপুর সরকারি কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত অবস্থায় বিবাহিত হন, ফলে আর পড়াশোনা চালিয়ে যাননি ও সিদরাতুল মুন্তাহা সুবর্না বর্তমানে পাইকুড়া এ. আর. পি. উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।
রাশেদুল ইসলাম রুবেল ছোট থেকেই অনেক মেধাবী ছিলেন। তিনি মাধ্যমিক শিক্ষা পাইকুড়া এ. আর. পি. উচ্চ বিদ্যালয় এবং উত্তরন পাবলিক স্কুলে ২০১১ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে ২০১৩ সালে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।
রাশেদুল ইসলাম রুবেল ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় হতে রসায়ন বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
তার প্রথম কর্মজীবন শুরু হয় ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)-এ “রিসার্চ কেমিস্ট” হিসাবে যোগদান করেন।
এবং ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে একই প্রতিষ্ঠানে “বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা” পদে পদন্নোতি পান।
এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।
তিনি বর্তমানে একই পদে কর্মরত রয়েছেন অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহকারী প্রভোস্ট হিসেবে শহীদ মসিয়ূর রহমান হল-এ দায়িত্ব পালন করেন।
জানা যায়, তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি “পরিবেশ রসায়ন” বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করেন। তিনি বলেন আমার গবেষণার বিষয় কোস্টাল এরিয়ায় শস্য জাতীয় উদ্ভিদে লবণের প্রভাব। এ পর্যন্ত আমার গবেষণার ফলাফল ৬টি আন্তর্জাতিক স্কোপাস ইনডেক্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এবং দেশে ও বিদেশে ৪টি বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে উপস্থাপন করেছি। এবং গবেষণা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
রাশেদুল ইসলাম রুবেল বলেন আমি সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে হাজারো শুকরিয়া জানাই। আমার বাবা-মা, শিক্ষকবৃন্দ এবং এলাকাবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি—আল্লাহ যেন আমাদের সুস্থ রাখেন এবং আমি যেন আমার শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারি।
আরও জানা যায়,তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চলমান সময় সেচ্ছায় রক্তদান বিষয়ে সংগঠন “বাধন” এর সাথে যুক্ত ছিলেন। এবং একাধিক বার স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়েছেন।
এছড়াও ৭ অক্টোবর ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন।