গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া গ্রামে এক মুসলিম পরিবারে ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন ছামিউল ইসলাম ।
পিতা সোলাইমান হক এবং মাতা ছামিরন বেগমের দুই সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়। তার সহধর্মিনী শেরপুর সরকারি কলেজে মাষ্টার্সে অধ্যয়নরত। তাদের একমাত্র পুত্র মোঃ আহনাফ আবিদ। ছামিউল ইসলামের এক ছোট বোন রয়েছেন। ছোট বোন সাবিনা ইয়াসমিন সুমি বিবাহিত।
ছোট থেকেই ছামিউল ইসলাম মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি বনগ্রাম হাফেজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১১সালে মাধ্যমিক এবং শেরপুর সরকারি কলেজ,শেরপুর থেকে ২০১৩ সালে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট উভয় পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।
এরপর তিনি শেরপুর সরকারি কলেজ থেকেই হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
তারপর শুরু হয় চাকুরী পাওয়ার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম।
জানা যায়, তার বিয়ের ৭বছর পর তার চাকুরী হয় এবং তার একমাত্র ছেলে সন্তানের তখন বয়স ছিলো ২বছর ০৬ মাস। তিনি বলেন এ পথ ছিলো অনেক বন্ধুর।
দিন রাত অকাতরে পরিশ্রম করে অনেক সংগ্রাম করে আজ তিনি গন্তব্যে পৌঁছেছেন।
তিনি বর্তমানে শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা যার পূর্ব নাম (ইউনিয়ন সচিব) হিসেবে কর্মরত আছেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,ছামিউল ইসলাম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রশাখা ও বিভিন্ন সংগঠনের সাথে কাজ করেন
এবং ৭ অক্টোবর ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় তিনি অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন।