1. admin@dainiksangbaderkagoj.com : admin :
  2. mahadihasanchamak@gmail.com : Azizul islam : Azizul islam
নিসচা'র ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সড়ক নিরাপত্তা, লায়ন গনি মিয়া বাবুল। - দৈনিক সংবাদের কাগজ
২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| রবিবার| সন্ধ্যা ৬:২৩|
বিজ্ঞাপনঃ
বেনাপোলের দীর্ঘ ৯ বছরের পুরাতন হাজী বিরিয়ানী হাউস এখন রাস্তার বিপরীতে।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হাজী বিরিয়ানী হাউস।আমাদের দ্বিতীয় শাখা এখন বর্ডরের সায়েদ আলী মার্কেটে অবস্থিত।আমরা বিরিয়ানী জগতে এক ধাপ এগিয়ে।আমাদের খাবারের আইটেম সমূহ:শাহী মোরগ পোলাও,(হাফ,ফুল)। গরুর কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) সরিষা তৈলের রান্না গরুর তেহারী (হাফ,ফুল) খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) খাসির রেঝালা (হাফ,ফুল) ডিম পোলাও(হাফ,ফুল) এবং স্পেশাল বোরহানী পাওয়া যায়।পরিচালনায়:মো:আজিজ বাবুর্চি।বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত(পুরাতন ঢাকা,সাউথ সুদান,লিবিয়া)

নিসচা’র ৩০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সড়ক নিরাপত্তা, লায়ন গনি মিয়া বাবুল।

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ডিসেম্বর ১, ২০২৩,
  • 216 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বছরের ১ ডিসেম্বর ৩১ বছরে পদার্পণ করছে। নিসচার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি প্রয়াত জাহানারা কাঞ্চনকে, যাঁর আত্মত্যাগে নিরাপদ সড়ক চাই সংগঠনের সূচনা। তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। নিসচার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি। নিসচার সঙ্গে বর্তমানে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশে ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সড়ক দুর্ঘটনারোধে যারা কাজ করছেন তাদেরকেও জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
বর্তমান পর্যায়ে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর কার্যক্রম যেমন সাফল্যের মুখ দেখেছে, তেমনি সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর কার্যক্রম আরও প্রসারিত ও গতিশীল করে তোলার বিষয়টিও হয়ে উঠছে জরুরি। সঙ্গত কারণেই আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টিও হয়ে উঠছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। কার্যক্রম পরিচালনায় আর্থিক সহায়তা প্রাপ্তির লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে নিসচা সমাজকল্যাণ অধিদফতর ও এনজিও ব্যুরোর অনুমোদন পেয়েছে। সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা নিরসন কিংবা শূন্যমাত্রায় নিয়ে আসা সম্ভব।
সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণগুলো হচ্ছে, চালকের অসতর্কতা, অসচেতনতা, বেপরোয়া বা অনিয়ন্ত্রিত গতিতে গাড়ি চালানো ইত্যাদি। এ ছাড়া চালকরা অনেক সময় ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত অবস্থায় গাড়ি চালায়। ফলে একসময় নিজের অজান্তেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে। তাই চালকদের এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। কোনোভাবেই অসুস্থ বা ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো যাবে না। প্রত্যেক মানুষেরই পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম প্রয়োজন। অন্যদিকে সড়ক দুর্ঘটনার আরও একটি অন্যতম কারণ চালকদের ওভারটেকিং প্রবণতা। সাধারণত রাস্তায় ধীরগতির গাড়িগুলোকে ওভারটেকিংয়ের প্রয়োজন পড়ে। এ সময় হর্ন বাজিয়ে সামনের গাড়িকে সংকেত দিতে হয়। কিন্তু অনেক সময় সংকেত না দিয়ে একজন আরেকজনকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে, যার ফলে সামনের দিক থেকে আসা গাড়ি বের হতে না পেরে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সড়ক দুর্ঘটনার আরেকটি কারণ হলো ত্রুটিপূর্ণ সড়কব্যবস্থা। মহাসড়কগুলোতে বাঁক থাকার কারণে সামনের দিক থেকে আসা গাড়ি দেখতে না পেয়ে অনেক চালক দুর্ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। রাস্তার পাশে হাট-বাজার স্থাপন এবং ওভারব্রিজ না থাকাও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
বর্তমানে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। যোগাযোগের ক্ষেত্রেও বর্তমান সরকারের সাফল্য প্রশংনীয়। পদ্মাসেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল নির্মাণ, কর্ণফুলি ট্যানেল নির্মাণ, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন ওড়াল সেতু নির্মাণ, প্রায় সকল মহাড়কগুলো ৪ লেনে উন্নীতকরণ, রেলপথে ব্যাপক উন্নয়নসহ বর্তমান সরকারের নানা অর্জন থাকলেও নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় আশানুরূপ সফলতা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার জন্যে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। সংশ্লিষ্টদেরকে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।
আমরা সড়কে আর মৃত্যু দেখতে চাই না। এজন্য সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। অনিয়মকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। দেশের সড়ক-মহাসড়কে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে পারলে দুর্ঘটনার হার যেমন কমবে, তেমনি দেশে আহত ও পঙ্গু মানুষের সংখ্যা কমে আসবে। সড়ক দুর্ঘটনার মতো অভিশাপ থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে সবার আগে প্রয়োজন সকলের সদিচ্ছা।
সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্যে সরকার সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ প্রণয়ন ও গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এই আইন ২০১৯ সালের ১নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। কিন্তু আইন পাস হওয়ার পাঁচ বছর পূর্ণ হলেও আইনটি পুরোপুরি এখনও কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ও জীবনের নিরাত্তার জন্যে বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং সময়োপযোগী নতুন “সড়ক নিরাপত্তা আইন” প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়ন করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনারোধে চালক যাত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

লেখক পরিচিতি ঃ
লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, গবেষক, কলাম লেখক ও সংগঠক)
যুগ্ম-মহাসচিব, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Calendar


Loading...
Powered by Booking Calendar






To show CAPTCHA, please deactivate cache plugin or exclude this page from caching or disable CAPTCHA at WP Booking Calendar - Settings General page in Form Options section.
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া, নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, কপিরাইট 2022 ইং দৈনিক আলোকিত বশিশাল এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ভুল তথ্যর জন্য সেই তথ্য দাতাই দায়ী থাকবে, কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায়ী থাকবে না।
Theme Customize BY BD IT HOST