1. admin@dainiksangbaderkagoj.com : admin :
  2. mahadihasanchamak@gmail.com : Azizul islam : Azizul islam
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে গরুর হাটে আশা-নিরাশার ছায়া, কমছে চাহিদা, বাড়ছে চাপ! - দৈনিক সংবাদের কাগজ
২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বৃহস্পতিবার| বিকাল ৪:৪০|
বিজ্ঞাপনঃ
বেনাপোলের দীর্ঘ ৯ বছরের পুরাতন হাজী বিরিয়ানী হাউস এখন রাস্তার বিপরীতে।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হাজী বিরিয়ানী হাউস।আমাদের দ্বিতীয় শাখা এখন বর্ডরের সায়েদ আলী মার্কেটে অবস্থিত।আমরা বিরিয়ানী জগতে এক ধাপ এগিয়ে।আমাদের খাবারের আইটেম সমূহ:শাহী মোরগ পোলাও,(হাফ,ফুল)। গরুর কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) সরিষা তৈলের রান্না গরুর তেহারী (হাফ,ফুল) খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) খাসির রেঝালা (হাফ,ফুল) ডিম পোলাও(হাফ,ফুল) এবং স্পেশাল বোরহানী পাওয়া যায়।পরিচালনায়:মো:আজিজ বাবুর্চি।বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত(পুরাতন ঢাকা,সাউথ সুদান,লিবিয়া)

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে গরুর হাটে আশা-নিরাশার ছায়া, কমছে চাহিদা, বাড়ছে চাপ!

মিজানুর রহমান,শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:
  • Update Time : সোমবার, মে ১৯, ২০২৫,
  • 233 Time View

 

গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার ঝিনাইগাতীতে হৃষ্টপুষ্টকরনকৃত গবাদি পশুর সংখ্যা ১১ হাজার ৮৩৩  ও কোরবানির পশুর চাহিদা  ১১ হাজার ৫৭০ উদ্বৃত-২৬৩ টি। 

 এছাড়াও চাহিদার সঙ্গে খামারে কমেছে কোরবানির পশুর যোগানও।এক মাসের কম সময় বাকি পবিত্র ঈদুল আজহার। এ উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে পশু কেনা-বেচা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ঝিনাইগাতীর ক্রেতা ও ব্যাপারীরা। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে শেষ সময়ে পশু পরিচর্যা ও বাজার ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন খামারিরা। তবে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের দাবি, পশু খাদ্যের দামের প্রভাব পড়বে কোরবানির বাজারে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছরের মতো এবারও স্থানীয় চাহিদার তুলনায় পশু বেশি রয়েছে। এবার উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ১১ হাজার ৫৭০টি।

ঝিনাইগাতীর উপজেলার খৈলকুড়া গ্রামের খামারি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জনাব মো:মনিরুজ্জামান (মানিক)  বলেন, কোরবানির শেষ সময়ে বাহির থেকে গরু আসার কারণে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। এবার কোরবানির বাজারের জন্য ০৫ টি গরু প্রস্তুতি করেছি। বাজারদর অনুকূলে থাকলে আশা করি হাটে ভালো দাম পাবো।

অন্যদিকে কোরবানির পশু বিক্রিতে খামারি নিচ্ছেন ভিন্ন ভিন্ন কৌশল। ইতোমধ্যে খামারে এসে ক্রেতারা গরু কেনা শুরু করেছে। অনেকে আগে এসেই পশু কিনে রাখছে। যা কোরবানির আগেরদিন পর্যন্ত খামারে রাখতে পারবেন। 

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ফয়জুর রাজ্জাক আকন্দ দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার প্রতিনিধিকে  বলেন, ঝিনাইগাতীতে এবার কোরবানির পশু সংকটের শঙ্কা নেই। উপজেলায় অন্তত ৫ হাজার তালিকাভুক্ত খামারির বাইরেও ব্যক্তিগতভাবে অনেকে এক বা একাধিক কোরবানির পশু লালন-পালন করছেন। আসন্ন কোরবানি উপলক্ষ্যে পেশাদার ও মৌসুমি কসাইদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি চামড়া সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ বিষয়ে অবহিতকরণ কার্যক্রম করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। পশুর যোগান বেশি থাকায় ঈদ বাজার খামারি ও ক্রেতা উভয়ের অনুকূলে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Calendar

Calendar is loading...
Powered by Booking Calendar
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া, নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, কপিরাইট 2022 ইং দৈনিক আলোকিত বশিশাল এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ভুল তথ্যর জন্য সেই তথ্য দাতাই দায়ী থাকবে, কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায়ী থাকবে না।
Theme Customize BY BD IT HOST