1. admin@dainiksangbaderkagoj.com : admin :
  2. mahadihasanchamak@gmail.com : Azizul islam : Azizul islam
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে শীত উপলক্ষে পিঠা খাওয়ার ধুম - দৈনিক সংবাদের কাগজ
১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শুক্রবার| রাত ৪:৩৩|
বিজ্ঞাপনঃ
বেনাপোলের দীর্ঘ ৯ বছরের পুরাতন হাজী বিরিয়ানী হাউস এখন রাস্তার বিপরীতে।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হাজী বিরিয়ানী হাউস।আমাদের দ্বিতীয় শাখা এখন বর্ডরের সায়েদ আলী মার্কেটে অবস্থিত।আমরা বিরিয়ানী জগতে এক ধাপ এগিয়ে।আমাদের খাবারের আইটেম সমূহ:শাহী মোরগ পোলাও,(হাফ,ফুল)। গরুর কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) সরিষা তৈলের রান্না গরুর তেহারী (হাফ,ফুল) খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) খাসির রেঝালা (হাফ,ফুল) ডিম পোলাও(হাফ,ফুল) এবং স্পেশাল বোরহানী পাওয়া যায়।পরিচালনায়:মো:আজিজ বাবুর্চি।বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত(পুরাতন ঢাকা,সাউথ সুদান,লিবিয়া)

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে শীত উপলক্ষে পিঠা খাওয়ার ধুম

মিজানুর রহমান,শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ৯, ২০২৫,
  • 181 Time View

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী শীতের তীব্রতাই পিঠা খাওয়ার ধুম।
শীতকাল অনেকের খুব পছন্দ। আবার অনেকেই শীতে জবুথবু। অনেকে সারা বছর ধরে ডিসেম্বর- জানুয়ারি মাসের জন্য অপেক্ষা করেন। শীতের মধ্যে পড়ে বছর শেষের ছুটি। বেড়াতে যায় অনেকে। আত্মীয়বাড়িতে আপ্যায়ন হয় ধুমধাম করে।

শীতের সময় সবার হাতে অবসর কাটানোর মতো সময় থাকে। এ সময়ে স্কুল-কলেজ, কোচিং, পড়ালেখার ছুটি। মা-বাবারাও কিছু দিনের জন্য কাজ থেকে বিরতি নেন।

গ্রামে, নানাবাড়ি বা দাদাবাড়িতে সেখানে সব ভাইবোনদের একসঙ্গে জড়ো হলে আনন্দের সীমা থাকে না।

প্রতিদিন সকালে লেপ-কম্বলের আরাম ছেড়ে মোটা মোটা শীতের পোশাক পরে নাস্তায় হাতে বানানো কোনো না কোনো পিঠা খাওয়া হয়।

খেজুরের রস চুলার ধারে বসে খাওয়া চলে। সারা দিনই পিঠার আয়োজন, বাড়ির কোনো প্রতিবেশি মেহমান এসেছে শুনে নিজেরাও বানিয়ে পাঠানো চিরচেনা এইসব দৃশ্য যেন শীতকালের মূল ঘটনা। কিন্তু শীত এলেই কেন এত পিঠার আয়োজন করা হয়।

আমাদের দেশে শীতকাল ছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠান, আয়োজনে সারা বছর পিঠা তৈরি হয়। তবে শীতকালে হরেক রকম পিঠার সংখ্যা চোখে পড়ে বেশি। এই প্রচলন নতুন নয়। ছয় ঋতুর মধ্যে পঞ্চম ঋতু শীত, আর তার আগে আসে চতুর্থ ঋতু হেমন্ত। হেমন্ত ঋতু মানে নবান্ন উৎসব। এই সময়টায় সোনারাঙা আমন ধান ঘরে তোলেন কৃষক। ধান ভেঙে আসে নতুন চাল। এর কিছুদিন পরই আসে শীতকাল। তাই হেমন্তের নতুন চালে পিঠা বানানোর ধুম পড়ে শীতে। বানানো হয় ভাপা পিঠা, চিতই, পাটিসাপটা, পুলি, দুধ পুলি বা দুধ চিতই, মালপোয়া, নকশিপিঠার মতো হরেক ধরনের পিঠা। আবার শীতকালে পাওয়া যায় খেজুরের রস। অনেকেই গাছ থেকে খেজুরের রস সংগ্রহ করে তা দিয়েও তৈরি করে বাহারি সব পিঠা। খেজুরের গুড়ও পিঠা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। এই দুই মিলে শীতকাল ঋতুটা হয়ে যায় পিঠা উৎসবের ঋতু।

গ্রাম বাংলায় শীতের এই দৃশ্যের চল দেখা গেলেও শহরে সেভাবে লক্ষ্য করা যায় না। তাই শহরে শীত এলেই রাস্তার ধারে দেখা যায় বিভিন্ন পিঠার ছোট ছোট দোকান। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান, সংগঠন আয়োজন করে পিঠামেলার। সেখানেও হরেক রকম বাহারি পিঠার দেখা মেলে। অনেকে আবার শত ব্যস্ততার মধ্যেও বাসায় তৈরি করে পিঠা।

ছুটির দিনে পরিবার মিলে উপভোগ করে সেই মুহূর্ত। যেভাবেই হোক না কেন, এক কথায় পিঠা ছাড়া যেন শীত জমেই না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Calendar


Loading...
Powered by Booking Calendar






To show CAPTCHA, please deactivate cache plugin or exclude this page from caching or disable CAPTCHA at WP Booking Calendar - Settings General page in Form Options section.
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া, নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, কপিরাইট 2022 ইং দৈনিক আলোকিত বশিশাল এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ভুল তথ্যর জন্য সেই তথ্য দাতাই দায়ী থাকবে, কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায়ী থাকবে না।
Theme Customize BY BD IT HOST