শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার আয়োজনে একই মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলামের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। পরে ঝিনাইগাতী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম নিজ ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে ছড়িয়ে পড়া খবরটি ভুয়া বলে নিশ্চিত করেন।
বৃহস্পতিবার লাইভে এসে সাইফুল ইসলাম বলেন, “কে বা কারা গুজব ছড়াইছে আমি মারা গেছি! আলহামদুলিল্লাহ আমি বেঁচে আছি, আমি মারা যায়নি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। মারা গেছি এই কথাটা মিথ্যা, গুজব। দয়া করে গুজবে কান দিবেন না।”
এর আগে গতকাল এঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যপকভাবে আলোচনায় আসলে আজ আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলামের মৃত্যুর খবর। জামায়াতের অভিযোগ, মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপা দিতেই বিএনপি নেতার মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এদিকে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা নেতারা বলছেন, ‘আমরা কোন গুজবের পক্ষে নয়। আমাদের নিয়ে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা অপপ্রচার চালাচ্ছে।’