স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীতে শহর রক্ষার বাঁধ নির্মাণ না করায় এই নদী এখন জনগণের কাছে আর্শিবাদ না হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
একদিকে নদীটি খনন না করায় হারিয়েছে তার নাব্যতা। অপরদিকে নদীর বুকে জেগে ওঠা চরে অবৈধভাবে বসতবাড়ী নির্মাণ করায় খরস্রোতা নদীটি একটি খালে পরিণত হয়েছে।
যে কারণে প্রতিবছর বর্ষার মৌসুমে অবিরাম বর্ষণ আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানি প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি হয়।
এতে ঝিনাইগাতী উপজেলা শহরের আশেপাশে বেশ কয়েকটি জায়গায় ভেঙ্গে গিয়ে ঢলের পানি উপজেলার সদর বাজার, অফিস -আদালত সহ বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয় জনসাধারণ মানুষ।
বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে মানবসেবাই এগিয়ে আসে ঝিনাইগাতীর শাফি মেডিক্যাল হলের সত্তা অধিকারী
মো:শাহজালাল, সাধারণ সম্পাদক কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি ঝিনাইগাতী, শেরপুর।
মোঃ শাহ জালাল এর নিজস্ব অর্থায়নে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে বিভিন্ন যায়গায় বণ্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে উপহার,প্রয়োজনী ঔষধ সামগ্রী বিতরণ করেন। তিনি শুধু এই প্রথম নেই সবসময় সকল মানবিক কাজে অংশ গ্রহণ করেন।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী ও ঔষধ মেট্রোনিডাজল প্যারাসিটামল ও আরএসএন সিটিরিজিন ইত্যাদি ঔষধ বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে বিতরণ করেন।