গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের শালচুড়া গ্রামের এক মুসলিম পরিবারে ১৯৮৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন জসিম মিয়া।
পিতা মো:আবুল হোসেন এবং মাতা জোবেদা খাতুন এর তিন সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়। জসিম মিয়ার এক ছোট ভাই ও এক বোন রয়েছেন। তার দুই ছেলে এক মেয়ে রয়েছেন। তার সহধর্মিণী একজন গৃহিণী।
ছোট থেকেই জসিম মিয়া মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি রাংটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০৪ সালে মাধ্যমিক এবং আলহাজ্ব শফিউদ্দিন আহমদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০০৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট উভয় পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।
জসিম মিয়া ২০১৮ সালে নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট একজন অফিসার হিসেবে যোগদান করেন।
জসিম মিয়া ২০০৯ সালে ২১ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। ২০১৬ সালে যোগ দেন নিউইয়র্ক পুলিশের ট্রাফিক এজেন্ট হিসেবে এবং ২০১৮ সালে অফিসার পদে নিউইয়র্ক পুলিশে ৩৩ প্রিসিঙ্কটে যোগদান করেন।
তারপর তিনি ২০২১ সালে ০৫ প্রিসিঙ্কটে এ ট্রান্সফার হয়ে আসেন।
বর্তমানে তিনি জন জে কলেজে ক্রেমিনাল জাস্টিসে ব্যাচেলর করছেন, ভবিষ্যতে তিনি নিউইয়র্ক পুলিশের আরো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে অধিষ্ঠিত হতে চান।
এরপর তিনি অনার্স কানেকটিকাট কমিউনিটি কলেজ, আমেরিকা থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
জসিম মিয়া বর্তমানে সার্জেন্ট হিসাবে পদোন্নতি লাভ করেছেন। ৫ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার পুলিশ সদর দপ্তরে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে তার হাতে পদোন্নতির সনদ তুলে দেন পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ। জসিম মিয়া বর্তমানে নিউইয়র্ক পুলিশের ০৫ প্রিসিঙ্কটের একজন অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
ওনার লক্ষ্য আরও বড় কিছু হওয়া।
জসিম মিয়া অনেক পরিশ্রম করে অনেক সংগ্রাম করে আজ তিনি গন্তব্যে পৌঁছেছেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,জসিম মিয়া অরাজনৈতিক এবং সুদবিহীন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রশাখা এর সাথে কাজ করেন।
আরও জানা যায় জসিম মিয়া ৭ অক্টোবর ২০২৪ সালে ভয়াবহ বন্যায় অসহায় পরিবারের মাঝে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন।