গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগের তদন্ত শেষে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক ক্বারী মো. আব্দুল্লাহকে তার পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে।
গত সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে তাকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।
গত ৫ অক্টোবর শেরপুর জেলা ওলামা দলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক আলহাজ হাফেজ হাফিজুর রহমান খোকন, যুগ্ম আহ্বায়ক হাফেজ ক্বারী মাওলানা আব্দুর রহমান ও সদস্যসচিব আলহাজ ক্বারী নওশেদ আলী স্বাক্ষর করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেলা ওলামা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ক্বারী মো. আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়। তদন্তে অভিযোগগুলো ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ প্রমাণিত হওয়ায় তদন্ত কমিটির সুপারিশ এবং জেলা শাখার আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে দেওয়া অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে আগের পদে পূর্ণ মর্যাদায় পুনর্বহাল করা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের বিষয়ে কয়েক দফায় পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত করা হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য, অভিযোগের পক্ষে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাদের দাবি, কিছু বিষয় মৌখিক আলোচনা ও লোকমুখে ছড়িয়ে পড়া কথার ওপর ভিত্তি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল।
তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আরও বলেন, ক্বারী হিসেবে উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন, একটি মাদরাসা পরিচালনা এবং আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণাকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে এসব প্রচার চালিয়ে থাকতে পারে।
এর আগে ক্বারী মো. আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়লে জেলা ওলামা দল তাকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেয়।
পরে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাকে স্বপদে পুনর্বহাল করা হয়েছে বলে জেলা ওলামা দল জানিয়েছে।