1. admin@dainiksangbaderkagoj.com : admin :
  2. mahadihasanchamak@gmail.com : Azizul islam : Azizul islam
রাজশাহীর বাগমারায় হাজার দুয়ারি জমিদার বাড়ী - দৈনিক সংবাদের কাগজ
৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| বিকাল ৫:৩১|
বিজ্ঞাপনঃ
বেনাপোলের দীর্ঘ ৯ বছরের পুরাতন হাজী বিরিয়ানী হাউস এখন রাস্তার বিপরীতে।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী হাজী বিরিয়ানী হাউস।আমাদের দ্বিতীয় শাখা এখন বর্ডরের সায়েদ আলী মার্কেটে অবস্থিত।আমরা বিরিয়ানী জগতে এক ধাপ এগিয়ে।আমাদের খাবারের আইটেম সমূহ:শাহী মোরগ পোলাও,(হাফ,ফুল)। গরুর কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) সরিষা তৈলের রান্না গরুর তেহারী (হাফ,ফুল) খাসির কাচ্চি বিরিয়ানী (হাফ,ফুল) খাসির রেঝালা (হাফ,ফুল) ডিম পোলাও(হাফ,ফুল) এবং স্পেশাল বোরহানী পাওয়া যায়।পরিচালনায়:মো:আজিজ বাবুর্চি।বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত(পুরাতন ঢাকা,সাউথ সুদান,লিবিয়া)

রাজশাহীর বাগমারায় হাজার দুয়ারি জমিদার বাড়ী

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, মার্চ ৪, ২০২২,
  • 212 Time View

 

তন্ময় দেবনাথ অনলাইন ডেস্ক

রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার যোগীপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি, যা মূলত বীরকুৎসা জমিদার বাড়ি বা বীরকুৎসা পরগণা নামে পরিচিত।উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জ থেকে ১৮ কিঃ দুরত্বে বাগমারা সীমানার শেষ প্রান্তে যোগীপাড়া ইউনিয়নের বীরকুৎসা গ্রাম অবস্থিত। নাটোর-সান্তাহার রেলপথের পাশে ৫০ বিঘা জমির উপর এই জমিদার বাড়ি অবস্থিত। বাড়িটির এক সময়ে হাজারটি দুয়ার ছিল বলে এর নামকরণ করা হয় হাজার দুয়ারী।নওগাঁ জেলার আমরুল ডিহির রাজা গোপাল ধাম তার মেয়ে প্রভাতী বালাকে ভারতের কাশী থেকে আসা বীরেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে বিয়ে দেন এবং তার অধীনস্থ এই বীরকুৎসা পরগণাটি মেয়ে প্রভাতী বালা ও জামাই বীরেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে লিখে দেন। আর এই থেকেই এই জমিদার বাড়িটির জমিদারীর সূচনা হয়। ১৯৪৭ সালে বীরেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার ভারতের হুগলী চন্দনগরে চলে গেলে পরবর্তীকালে এই বাড়িটি সরকারের দখলে চলে আসে। তার ৫জন পুত্র ছিলেন। তারা হলেনঃ পরিমল, নির্মল, সুনীল, শ্যামল ও অমল। জমিদারের ১টি হাতী ও ৪টি লালবর্ণের ঘোড়া ছিল। হাতীতে চড়ে তিনি জমিদারী দেখাশুনা করতেন। জমিদারের ১৭টি নায়েব খাজনা আদায় ও হিসাব রাখতেন।হাজারদুয়ারী জমিদার বাড়ির দরজাগুলো সেগুন কাঠের তৈরী এবং সুন্দর কারুকাজ করা ছিলো।অ দরজাগুলো ছিল তিনটি স্তরে সাজানো। প্রথমে কাঠ, তারপর লোহার গ্রিল, এরপরে তা দামি কাঁচে মোড়ানো ছিলো। বীরেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুই ভাই দুর্গা বাবু ও রমাঅ বাবু এই প্রাসাদেই থাকতেন।প্রাসাদের সামনে বাহারি ফুলের বাগান ছিল প্রাসাদের পশ্চিম দিকে খিড়কি দরজা পার হয়ে সান বাঁধানো একটি বিরাট পুকুর রয়েছে। এই পুকুরে শুধু জমিদার পরিবারই গোসল করত। প্রাসাদেরঅ ভেতরের এক পাশে ছিল জলসা ঘর। কলকাতা থেকে ভোলানাথ অপেরা এসে গান বাজনা করতো।পূর্ব দিকের দেউড়ির দুই পাশে ছয় জন করে বারোঅঅ জন বরকন্দাজ থাকত। দেউড়ির পাশে ছিল মালখানা। এর কিছু দূরে ছিল মহাফেজখানা। প্রাসাদের পূর্বের দেউড়ি পার হয়ে সামনে আরেকটি বড় পুকুর আছে, সেখানে গোসলঅপ করত আমলা, পেয়াদা ও বরকন্দাজরা। এই পুকুরটি এখন বেদখল হয়ে গেছে। বকুলতলার পাশে খাজনা আদায়ের ঘর ছিল, যা এখন বীরকুৎসা তহসিল অফিস নামে পরিচিত। এর পাশের পূজা মন্ডপটিতে বসানো হয়েছে পোস্ট অফিস।বর্তমানে জমিদার বাড়ির ভৌত কাঠামো সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Calendar


Loading...
Powered by Booking Calendar






To show CAPTCHA, please deactivate cache plugin or exclude this page from caching or disable CAPTCHA at WP Booking Calendar - Settings General page in Form Options section.
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া, নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি, কপিরাইট 2022 ইং দৈনিক আলোকিত বশিশাল এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ভুল তথ্যর জন্য সেই তথ্য দাতাই দায়ী থাকবে, কর্তৃপক্ষ কোন ভাবে দায়ী থাকবে না।
Theme Customize BY BD IT HOST