বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার দত্তপাড়া গ্রামের সোবাহান কাজীর ছেলে সায়েম কাজির গ্রেপ্তার হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সায়েম কাজী গত ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট অন্যান্য আসামীদের সাথে উপজেলার চাখার ইউনিয়নের সোনাহার গ্রামের ফারুক সিকদারের নিকট ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। ফারুক সিকদার ওই চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার নিকটে থাকা নগদ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা সায়েম কাজি অন্যান্য আসামীদের সাথে থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।ফারুক শিকদার জীবন রক্ষার্থে ডাক চিৎকার করলে স্থানীয় জনতা তাকে অপরাধীদের হাত থেকে উদ্ধার করেন।পরে একই দিনে ফারুক সিকদার ১৪ জনকে আসামিসহ আরো ১৫ থেকে ২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে বানারীপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।বানারীপাড়া থানা পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে সায়েম কাজীর জড়িত থাকার সত্যতা মিললে তাকে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তার দত্তপাড়ার বাড়ি থেকে এস আই রুবেল হোসেনের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেফতার করে।২০ ফেব্রুয়ারি সকাল দশটায় বানারীপাড়া থানাধীন জিয়ার মামলা ১৫৭/২৪ এ গ্রেপ্তার দেখিয়ে বরিশাল কোর্ট হাজতে প্রেরণ করে।এছাড়াও সায়েম কাজী অত্র উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নে নানা অপকর্মে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়ি চালক মোঃ মেহেদী হাসান সায়েম কাজির এলাকায় গেলে চায়ের দোকানের সামনে পেয়ে তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। মেহেদী হাসানের উপরে হামলার অভিযোগে তিনি বানারীপাড়া থানায় একটি সাধারণ জিডি করেন যাহার নং ৮২২/২৪।তাছাড়াও সায়েম কাজী গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নানা অপকর্মে জড়িত ছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সায়েম কাজী সামনে থেকে ছাত্রদের আন্দোলন দমনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় জনতা জানান সায়েম কাজী গ্রেপ্তার হওয়ায় দত্তপাড়া এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।